যান্ত্রিক নগরীর আশে পাশে অনেক মন মুগ্ধকর ও সবুজ শ্যামল পরিবেশ রয়েছে । পূর্বাচল উপশহরের জিন্দা গ্রামের বিশাল এলাকার উপর গড়ে উঠা ‘জিন্দা পার্ক’ এই রকমই একটি স্থান ।কুড়িল বিশ্বরোড থেকে মোটে ১৭ কিলোমিটার রূপগঞ্জ জিন্দা পার্ক। সবুজ ছায়াঘেরা পরিবেশ মুগ্ধ করবে। যারা একদিনের ট্যুর পছন্দ করেন তাঁদের উপযোগী বেড়ানোর জায়গা।
পার্কের ভেতরেই রয়েছে মার্কেট সেখানে সব ধরনের কেনাকাটা করতে পারে দর্শনার্থীরা। আছে লাইব্রেরী, ক্যান্টিন, প্রাণী জগত।পিকনিক বা ডে আউট করার জন্য আদর্শ জায়গা। পার্কের লেকেই নৌবিহারের জন্য রয়েছে ৭/৮টি সুসজ্জিত নৌকা। পার্ক সাপ্তাহে সাতদিনই খোলা। ভিতরে খাবারের জন্য রেস্টুরেন্ট আছে।

নগরীর এত কাছে অপরূপ লেক আর গাছগাছালিতে পাখির কিচিরমিচির শোনা বিরল বটে। ১৫০ এখর জায়গা জুড়ে এটি বিস্তৃত। ২৫০ প্রজাতির ১০ হাজারের বেশী গাছ-গাছালী আছে পার্কটিতে। গাছের এই সমারোহ এর পরিবেশকে করেছে শান্তিময় সবুজ, কলকাকলীতে মুখর করেছে অসংখ্য পাখীরা। শীতল আবেশ সুবিশাল জলাধার। তাই গরম যতই হোক পার্কের পরিবেশ আপনাকে দেবে শান্তির ছোঁয়া।

ফ্যামিলি পিকনিকের জন্য জিন্দা পার্ক এখন বেশ পরিচিত জায়গা। কাঠের ব্রিজ পার হয়ে দিঘির মাঝামাঝি তৈরি করা বাঁশের টি রুমে বসে প্রিয়জনের সঙ্গে এক কাপ চা কিংবা জলে পা ডুবিয়ে বসে থাকার সময়গুলো দারুণ উপভোগ করবেন।

পানিতে টলমল করে গাছগুলোর ছায়া। দেখে মনে হয়, গাছগুলো নিজের ছায়া দেখছে। আপনিও কি পানিতে নিজের ছায়া দেখতে চান? লেকগুলোতে রয়েছে ভাসমান আর ঝুলন্ত সাঁকো। সেগুলোতে উঠে পানির দিকে সামান্য ঝুঁকে দেখলেই নিজের ছায়াটা ভেসে উঠবে।

ইচ্ছা হলে লেকের পানিতে কিছুক্ষণ ভেসেও বেড়ানো যায়। তার জন্য কয়েকটি নৌকা বাঁধা আছে ঘাটে। লেকে ভেসে বেড়ানোর পাশাপাশি উপভোগ করতে পারেন প্রকৃতিকে। ঘুরতে ঘুরতে মনে হবে আপনি একটি বিচ্ছিন্ন দ্বীপের মধ্যে রয়েছেন।

সঙ্গে গাড়ি না থাকলেও সমস্যা নেই। বাড়ি ফেরার জন্য পার্কের সামনেই পাবেন গাড়ি, সিএনজি। আর হ্যাঁ, পিকনিক করতে চাইলে আগেই যোগাযোগ করুন। পিকনিকের খাবারের ব্যবস্থা পার্ক কর্তৃপক্ষই করে।

কিভাবে যাবেনঃ
কুড়িল বিশ্বরোড থেকে মোটে ১৭ কিলোমিটার রূপগঞ্জ জিন্দা পার্ক। সহজ হবে কুড়িল বিশ্বরোড এর পুর্বাচল হাইওয়ে দিয়ে গেলে ৷ কুড়িল-কাঞ্চন ব্রিজ যাত্রাটাও উপভোগ্য হবে।কুড়িল ফ্লাইওভারের পাশে ৩০০ ফিট দিয়ে কাঞ্চন ব্রিজ চলে যাবেন। সেখান থেকে হাতের বামে থেকে ১০ মিনিটের গাড়ি পথ।কুড়িলফ্লাইওভারের নীচ থেকে সি এন জি বা অট ট্যাক্সি যায়।
ঢাকার যে কোন প্রান্ত থেকে বাসুন্ধ্ররার রেসিডেন্সিয়ালে পকেট গেট থেকে মাত্র ৫০ টাকায় জনপ্রতি যেতে পারবেন।আর ওখান থেকে আসতে হলেও একই ভাবে আসতে পারবেন, ব্যাটারি চালিত গাড়ি সকাল থেকে সন্ধ্যা পরজন্ত পাবেন।মানুষ বেশী হলে চাইলে পুরো গাড়ী ৩০০ টাকায় ভাড়া করতে পারবেন যেতে পারবেন ৬ জন।
ফোনঃ +৮৮০ ১৭১৬২৬০৯০৮, +৮৮০ ১৭১৫০২৫০৮৩, +৮৮০ ১৮১৬০৭০৩৭৭



11:02 AM
Express Desk




Posted in:
0 comments:
Post a Comment