Monday, January 1, 2018

জিন্দা পার্ক- নারায়ণগঞ্জ



WP_20151216_124যান্ত্রিক নগরীর আশে পাশে অনেক মন মুগ্ধকর ও সবুজ শ্যামল পরিবেশ রয়েছে । পূর্বাচল উপশহরের জিন্দা গ্রামের বিশাল এলাকার উপর গড়ে উঠা ‘জিন্দা পার্ক’ এই রকমই একটি স্থান ।কুড়িল বিশ্বরোড থেকে মোটে ১৭ কিলোমিটার রূপগঞ্জ জিন্দা পার্ক।  সবুজ ছায়াঘেরা পরিবেশ মুগ্ধ করবে। যারা একদিনের ট্যুর পছন্দ করেন তাঁদের উপযোগী বেড়ানোর জায়গা।
WP_20151216_134
পার্কের ভেতরেই রয়েছে মার্কেট সেখানে সব ধরনের কেনাকাটা করতে পারে দর্শনার্থীরা। আছে লাইব্রেরী, ক্যান্টিন, প্রাণী জগত।পিকনিক বা ডে আউট করার জন্য আদর্শ জায়গা। পার্কের লেকেই নৌবিহারের জন্য রয়েছে ৭/৮টি সুসজ্জিত নৌকা। পার্ক সাপ্তাহে সাতদিনই খোলা। ভিতরে খাবারের জন্য রেস্টুরেন্ট আছে।
j1
নগরীর এত কাছে অপরূপ লেক আর গাছগাছালিতে পাখির কিচিরমিচির শোনা বিরল বটে। ১৫০ এখর জায়গা জুড়ে এটি বিস্তৃত। ২৫০ প্রজাতির ১০ হাজারের বেশী গাছ-গাছালী আছে পার্কটিতে। গাছের এই সমারোহ এর পরিবেশকে করেছে শান্তিময় সবুজ, কলকাকলীতে মুখর করেছে অসংখ্য পাখীরা। শীতল আবেশ সুবিশাল জলাধার। তাই গরম যতই হোক পার্কের পরিবেশ আপনাকে দেবে শান্তির ছোঁয়া।
WP_20151216_104
ফ্যামিলি পিকনিকের জন্য জিন্দা পার্ক এখন বেশ পরিচিত জায়গা। কাঠের ব্রিজ পার হয়ে দিঘির মাঝামাঝি তৈরি করা বাঁশের টি রুমে বসে প্রিয়জনের সঙ্গে এক কাপ চা কিংবা জলে পা ডুবিয়ে বসে থাকার সময়গুলো দারুণ উপভোগ করবেন।
WP_20151216_002
পানিতে টলমল করে গাছগুলোর ছায়া। দেখে মনে হয়, গাছগুলো নিজের ছায়া দেখছে। আপনিও কি পানিতে নিজের ছায়া দেখতে চান? লেকগুলোতে রয়েছে ভাসমান আর ঝুলন্ত সাঁকো। সেগুলোতে উঠে পানির দিকে সামান্য ঝুঁকে দেখলেই নিজের ছায়াটা ভেসে উঠবে। 
WP_20151216_071
ইচ্ছা হলে লেকের পানিতে কিছুক্ষণ ভেসেও বেড়ানো যায়। তার জন্য কয়েকটি নৌকা বাঁধা আছে ঘাটে। লেকে ভেসে বেড়ানোর পাশাপাশি উপভোগ করতে পারেন প্রকৃতিকে। ঘুরতে ঘুরতে মনে হবে আপনি একটি বিচ্ছিন্ন দ্বীপের মধ্যে রয়েছেন।
WP_20151216_006
সঙ্গে গাড়ি না থাকলেও সমস্যা নেই। বাড়ি ফেরার জন্য পার্কের সামনেই পাবেন গাড়ি, সিএনজি। আর হ্যাঁ, পিকনিক করতে চাইলে আগেই যোগাযোগ করুন। পিকনিকের খাবারের ব্যবস্থা পার্ক কর্তৃপক্ষই করে।
WP_20151216_001
কিভাবে যাবেনঃ
কুড়িল বিশ্বরোড থেকে মোটে ১৭ কিলোমিটার রূপগঞ্জ জিন্দা পার্ক। সহজ হবে কুড়িল বিশ্বরোড এর পুর্বাচল হাইওয়ে দিয়ে গেলে  ৷ কুড়িল-কাঞ্চন ব্রিজ যাত্রাটাও উপভোগ্য হবে।কুড়িল ফ্লাইওভারের পাশে ৩০০ ফিট দিয়ে কাঞ্চন ব্রিজ চলে যাবেন। সেখান থেকে হাতের বামে থেকে ১০ মিনিটের গাড়ি পথ।কুড়িলফ্লাইওভারের নীচ থেকে  সি এন জি বা অট ট্যাক্সি যায়।
ঢাকার যে কোন প্রান্ত থেকে বাসুন্ধ্ররার রেসিডেন্সিয়ালে পকেট গেট থেকে মাত্র ৫০ টাকায় জনপ্রতি যেতে পারবেন।আর ওখান থেকে আসতে হলেও একই ভাবে আসতে পারবেন, ব্যাটারি চালিত গাড়ি সকাল থেকে সন্ধ্যা পরজন্ত পাবেন।মানুষ বেশী হলে চাইলে পুরো গাড়ী ৩০০ টাকায় ভাড়া করতে পারবেন যেতে পারবেন ৬ জন।
ফোনঃ +৮৮০ ১৭১৬২৬০৯০৮, +৮৮০ ১৭১৫০২৫০৮৩, +৮৮০ ১৮১৬০৭০৩৭৭

জল জঙ্গলের কাব্য-পুবাইল, গাজীপুর



গাজিপুর জেলার টংগীর পুবাইলে অবস্থিত জল জঙ্গলের কাব্য রিসোর্ট যা অনেকের কাছে পাইলট বাড়ি হিসেবে পরিচিত। প্রাকৃতিক এক ভূমিকে অবিকৃত রেখে আরো প্রাকৃতিক করা হয়েছে ডিজাইনারের নিপুণ ছোঁয়ায়। জোছনা দেখতে চাইলে ঘুরে আসতে পারেন জল জঙ্গলের কাব্য থেকে। বিলের ওপর জোছনার আলো এক অন্য রকম অনুভূতি দিবে আপনাকে। প্রাকৃতিক গাছপালা আর শান্তু বিলের পারে বসে কাটিয়ে দিন ১ টা দিন।
















হারিয়ে যাবার আগেই যারা আরো কিছুদিন ছুঁয়ে দেখতে চান অনাবিল সবুজ, মাছের দেখা নাই তবু বড়শি হাতে বসে থাকতে চান নিস্তরঙ্গ দুপুরে তাদের জন্য অপেক্ষায় আছে জল জঙ্গলের কাব্য ।এক নিভৃতচারী মানুষের স্বপ্নসাধ বলা যায় এই আয়োজন, ঢাকার অদূরে পূবাইলে ৯০ বিঘা জমির উপর গড়ে উঠেছে একটুকরো গ্রাম। বাঁশ আর পাটখড়ির বেড়া ,উপরে ছনের ছাউনি, সামনে দিগন্ত বিস্তৃত জলের নাচন। এটা তেমন আধুনিক জায়গা নয় কিন্তু পরিচ্ছন্ন এবং গ্রাম-বাংলার একটা ছোয়া আছে এর আদলে।

জল জঙ্গলের কাব্য পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাইয়ে গড়ে তোলা। এর ঘরগুলো বাঁশ-বেড়ার। বেলাই বিল মানে ওয়াটার বডিকে কেন্দ্রীয় চরিত্র রেখে তৈরি করা হয়েছে জল জঙ্গলের কাব্য। নিজস্ব জমির শাক-সবজি ও ধান দিয়ে খাবার তৈরি হয়। বিল থেকে মাছও ধরা হয়। সকালে চালগুঁড়ার রুটির কথা অনেকে মনে রাখেন। রিসোর্ট কর্মীরা পেশাদার, তবে বাণিজ্যিক নয়।
খরচঃ
এখানে জনপ্রতি নেয়া হয় ৩০০০ টাকা নাস্তা, দুপুর ও রাতের খাবার সহ। খরচটা সারাদিনের জন্যে ১৫০০ টাকা জনপ্রতি (সকালের সাস্তা, দুপুরের খাবার আর বিকেলে স্ন্যাক্স)। শিশু (৫-১০ বছর), কাজের লোক ও ড্রাইভার – ৬০০ টাকা জনপ্রতি।
যোগাযোগঃ
ফোন নম্বর – ০১৯১৯৭৮২২৪৫ (মি: কামরুল) অথবা ০১৯১৯৭৮২২৪৫

খাবারঃ
জল জংগলের কাব্য এর খাবারের মেনুগুলো দারুন – ভাত, পোলাও, চালতা দিয়ে ডাল, মুরগির মাংশ, রুই মাছ, গুড়া মাছ, তেতুল দিয়ে কচুমুখি, আলু ভর্তা, ডাল ভর্তা, ঘন ডাল আরো বেশ কটি আইটেম।
সকালের নাস্তায় থাকে চিতই পিঠা, গুড়, লুচি, মাংশ, ভাজি, চা, মুড়ি।
দুপুরের খাবারে থাকে ১০/১২ রকম দেশী আইটেম। মোটা চালের ভাত, পোলাও, মুরগির ঝোল, ছোট মাছ আর টক দিয়ে কচুমুখির ঝোল, দেশী রুই মাছ, ৩ রকমের ডাল, কয়েক রকমের ভর্তা এবং সবজি।


কিভাবে যাবেনঃ
মহাখালি থেকে নরসিংদি বা কালিগন্জগামী যে কোন বাসে উঠুন। ১ ঘন্টা পর পুবাইল কলেজ গেট এলাকায় নেমে পড়ুন। ভাড়া নেবে ৪০ টাকা। এরপর একটা ব্যাটারীচালিত রিক্সায় করে পাইলট বাড়ি। গেলে এসে ফোন করুন, গেট খুলে দেবে। তবে অবশ্যই আগে বুকিং থাকতে হবে।
অথবা ঢাকার সায়েদাবাদ, গুলিস্তান, আজিমপুর, মহাখালী থেকে গাজীপুর পরিবহন, ঢাকা পরিবহন, ভিআইপি পরিবহন ও বলাকা পরিবহনে শিববাড়ী চলে যাবেন। ভাড়া ৭০ টাকা। শিববাড়ী থেকে অটোরিক




ঘুরে আসুন রাজশাহী

Image may contain: sky and outdoor


ঘুরে আসুন রাজশাহী
নির্মল, দুষণমুক্ত শহর হিসেবে রাজশাহীর পরিচিতি আজ বিশ্বজোড়া। রাজশাহী জেলা বিশেষ করে রাজশাহী শহর একইসাথে বিভিন্ন নামে পরিচিত, রেশম নগরী, শিক্ষা নগরী, আমের রাজধানী, শান্তির শহর, সবুজ নগরী অন্যতম। এসব প্রত্যেকটা বিশেষণই শুধু রাজশাহীকেই মানায়। রাজশাহীর সিল্ক দেশের সুনামের গন্ডি পেরিয়ে ছড়িয়ে পরেছে সারা বিশ্বে, রাজশাহীতে রয়েছে সকল ধরনের শিক্ষা প্রতিসঠান, রয়েছে সুশিক্ষার সুন্দর পরিবেশ।
বাংলাদেশের আপামর জনগণ ভালো আম বলতে রাজশাহীর আমকেই চেনে। রাজশাহীতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি তুলনামুলক ভালো। সারা রাজশাহীতে রয়েছে সবুজের সমারোহ। রাজশাহী শহর ছিমছাম সাজানো গোজানো একটা শহর। যে একবার রাজশাহীতে এসেছে, রাজশাহীরর প্রশংসা অবশ্যjই তার মুখে শুনবেন।
রাজশাহীতে রয়েছে দেখার মতো অনেক স্থান। আজ রাজশাহীর কিছু দর্শণীয় স্থান আপনাদের কাছে তুলে
ধরছি:
# পুঠিয়া_রাজবাড়ী
রাজশাহী জেলা সদর হতে ৩২ কিঃমিঃ উত্তর- পূর্বে নাটোর মহাসড়ক অভিমুখে পুঠিয়া অবস্থিত।
বাসে করে দেশের যে কোন স্থান হতে পুঠিয়া আসা যায় এবং ট্রেনে করে নাটোর অথবা রাজশাহী নেমেও সড়কপথে সহজে আসা যায়।
# বরেন্দ্র_গবেষণা_জাদুঘর
রাজশাহী জিরোপয়েন্ট থেকে আনুমানিক ৮০০ মিটার পশ্চিমদিকে প্রধান সড়কের উত্তরে অবস্থিত রিক্সাতে,অটোতে যাওয়া যায়। এই জাদুঘর বাংলাদেশের প্রথম জাদুঘর। বিভিন্ন প্রাচীন প্রাচীন নিদর্শন দিয়ে সাজানো এই জাদুঘর। প্রত্নতত্ত্ব
সংগ্রহের দিক থেকে এটি দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম
সংগ্রহশালা।
# শহীদ কামারুজ্জামান কেন্দ্রীয় উদ্যান ও চিড়িয়াখানা
জিরোপয়েন্টথেকে পশ্চিমদিকে আনুমানিক ৩ কি.মি. কোর্ট এর দিকে, প্রধান রাস্তার উত্তর পার্শ্বে, রিক্সা, অটোতে যাওয়াযায়। জিরোপয়েন্টথেকে পশ্চিমদিকে
আনুমানিক ৩ কি.মি. কোর্ট এর দিকে, প্রধান রাস্তার উত্তর পার্শ্বে। পিকনিক স্পট হিসেবে রাজশাহী বিভাগে অত্যন্ত জনপ্রিয়।
# জিয়া_শিশু_পার্ক
রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন এর উদ্যোগে ময়লা ফেলার ভাগার হতে শিশুদের নির্মল বিনোদন কেন্দ্র হিসেবে পরিণত হওয়া জিয়া শিশু পার্ক রাজশাহী শহরে নওদাপাড়া, বিমানবন্দর রোডের পাশেই অবস্থিত। এই পার্কটি অনেকটা ফ্যান্টাসি কিন্ডম এর আদলে করা হয়েছে। বেশ কিছু আধুনিক রাইড রয়েছে পার্কটিতে।
# পদ্মার_পাড়
রাজশাহী শহর পদ্মা নদীর পাড়ে অবস্থিত। তাই শহরের মানুষ একটু সময় পেলেই ছুটে যায় পদ্মার পাড়ে।।
রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন পদ্মার পাড়কে পরিকল্পিতভাবে সাজিয়ে যাচ্ছে। বড়কুঠি এলাকা, পদ্মা গার্ডেন, লালনশাহ মুক্ত মঞ্চ, আই বাঁধ, টি-বাঁধ,
শিমলা পার্ক, সিমান্তে নোংগর তারই ফসল। এজন্য দেশের অন্যান্য স্থানের চেয়ে রাজশাহীর পদ্মার পাড় একটু ভিন্নভাবে গড়ে উঠছে।
# বাঘা_মসজিদ
বাঘা মসজিদ মুসলিম ইতিহাসের একটি নিদর্শন। রাজশাহী বাস স্টান্ড থেকে ৪৫/- ভাড়া নিবে। দেড় থেকে দুইঘন্টা লাগবে।। মুল সড়কের পাশেই মসজিদটি।।
মসজিদের সাথে রয়েছে বিশাল এক দিঘী।
# উৎসব পার্ক
রাজশাহীর বাঘা উপজেলার প্রাণ কেন্দ্রে স্থাপিত নতুন আকর্ষণ এই উৎসব পার্ক। লেক, ভাস্কর্য আর বিভিন্ন রাইড দিয়ে সাজানো এই পার্ক। পিকনিক স্পট হিসেবে দারুন। রাজশাহী শহর হতে বাসযোগে ৪৫টাকা ভাড়া লাগে বাঘায় যেতে।
# হযরত শাহমখদুম রুপোশ (রা) এর মাজার
পদ্মা নদীর কোল ঘেঁষে মহান এএই সাধকের মাজার। রাজশাহীর অন্যতম পুন্যস্থান। রাজশাহী জিরো পয়েন্ট থেকে ২ কি:মি: দূরে। অটো অথবা হেটেই যাওয়া যায়। এখানে গেলে পুন্য ব্যক্তির পরিবেশে আপনার মন হয়ে উঠবে নির্মল।
# রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
শিক্ষানগরী রাজশাহীর অন্যতম বিদ্যাপীঠ হচ্ছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়। প্রাকৃতিক ছায়াঘেরা এই বিশ্ববিদ্যালয় যেকারোরই মন কেড়ে নিবে। রাজশাহী শহরের প্রবেশমুখে মহাসড়কের পাশেই বিনোদপুর নামক স্থানে এর অবস্থান। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যারিস রোড শিক্ষার্থীদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়।
# সাফিনা_পার্ক
রাজশাহী শহরের অদূরে একটি দর্শনীয় স্থান হচ্ছে সাফিনা পার্ক ! গোদাগাড়ী উপজেলা সদর ডাইংপাড়ার পূর্বদিকে ৮-১০ কিলোমিটার দূরে গোদাগাড়ী- আমনুরা সড়কের পার্শ্বে দিগরাম খেঁজুরতলা। এই খেঁজুরতলা সাফিনা পার্কে যাওয়ার সময় রাস্তার দুই ধারের ফসলের যে সবুজের সমাহার ঘটেছে তা পর্যটক ও দর্শনার্থীদের দৃষ্টি কাড়বে।
# সরমংলা_ইকোপার্ক
রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে আরেকটি দশনীয় স্থান হচ্ছে ইকোপার্ক। গোদাগাড়ী উপজেলার ডাইংপাড়া মোড় থেকে মাত্র ৩ কিলোমিটার পূর্ব দিকে গোদাগাড়ী-আমনুরা সড়কের পার্শ্বে প্রাকৃতিকভাবে গড়ে ওঠা সরমঙ্গলা ইকোপার্ক। গোদাগাড়ী উপজেলার গোদাগাড়ী সদর ইউনিয়নে পুঠিয়া মন্দির রাজশাহী শহর থেকে ০৮ হতে ১৩ কিলোমিটার পশ্চিমে এবং উত্তর পশ্চিমে দেওপাড়া, কুমারপুর ওবিজয়নগর পুঠিয়া রাজশাহী।
# গোয়ালকান্দি_জমিদার_বাড়ি
গোয়ালকান্দি ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় সংলগ্ন জমিদার বাড়িতে তাহেরপুর বা ভবানীগন্জ হইতে ভ্যান,
রিক্সা, সি,এন,জি করে আসা যায়। গোয়লকান্দি ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় সংলগ্ন
# সাধনপুর_পঙ্গুশিশু_নিকেতন
এটি জেলা সহর হতে ৫০ কিলোমিটার দুরে অবস্থিত। উপজেলা পুঠিয়া বাস ষ্ট্যান্ড হতে প্রথমে বাসে ও পরে ভ্যান বা রিক্সায় করে সাধনপুর পঙ্গু শিশু নিকেতন অবস্থিত। সাধনপুর বাজার হতে ০১ কিলোমিটার দুরে এবং বারনই নদীর পার্শে পঙ্গু শিশু
নিকেতন অবস্থিত।
# হাওয়াখানা
রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার তারাপুর গ্রামে হাওয়াখানা নামে প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন রয়েছে। ঢাকা রাজশাহী মহাসড়কে তারাপুর মোড় হতে দক্ষিণ দিকে ১ কিলোমিটার হেঁটে অথবা রিক্সা ভ্যানে করে যাওয়া যায়।
# তুলসি_ক্ষেত্র
তুলসী ক্ষেত্র একটি এইতিহাসিক স্থান। রাজশাহী জেলা সদর হতে রাজশাহী-নওগাঁ মহাসড়কের মোহনপুর উপজেলা হতে আরা ২.৫ কিমি উত্তরদিকে সইপাড়া নামক স্থনে নামতে হবে, সইপাড়া থেকে ৬ কিমি পশ্চিমে গেলেই তুলসি ক্ষেত্র স্পটটি পাওয়া যাবে । রাজশাহী হতে বাস, সিএনজি, মিশুক,যোগে সইপাড়া আসা যাবে জন প্রতি ভাড়া (রাজশাহী-সইপাড়া) ৩০-৫০ টাকা এরপর সইপাড়া থেকে সিএনজি, অটো, ভ্যান যোগে তুলসি ক্ষেত্র নামক স্থানে আসা যাবে। জন প্রতি ভাড়া সইপাড়া থেকে ১০-১৫ টাকা।
# গজমতখালী ব্রীজ
সড়ক পথে বাস,সিএনজি নদী পথে নৌকা রাজশাহী জেলার বাগমারা উপজেলা ও আত্রাই উপজেলার সীমান্তে। যা বাগমারা ও আত্রাইকে সংযোগ করে দর্শনীয় স্থান হয়েছে।
# নিশিন্দা_রাজের_ধ্বংসস্তুপ
রাজশাহী বাস টার্মিনাল থেকে বাসে তাহেরপুর পৌরসভা বা আলোকনগর, তারপর পায়ে হেঁটে অথবা
ভ্যানে যাওয়া যায়। রাজশাহী জেলা বাগমারা উপজেলা
হামিরকুৎসা ইউনিয়ন আলোকনগর সকোপাড়া খলিফা পাড়ায় অবস্থিত। তাহেরপুর রাজবাড়ি। বাংলার বার ভুইয়ার এক জন তাহের ভুইয়ার রাজ প্রাশাদ। পরবর্তিতে সেটা রাজা কংশনারায়নের প্রাসাদ। হিন্দুদের সর্ব প্রথম দুর্গাপুজার স্থান।
এছাড়াও রয়েছে হযরত শাহমখদুম বিমানবন্দর, সারদা পুলিশ একাডেমী, রাজশাহী কলেজসহ বেশকিছু দর্শণীয় স্থান। রাজশাহীর সাথে সারা দেশের সড়ক, রেল এবং আকাশ পথে যোগাযোগ রয়েছে। রয়েছে থাকার জন্য ভালো মানের হোটেল। তাই দেরী না করে আজই রাজশাহী ট্যুরের প্লান করে ফেলুন।। আশা করি ভালো লাগবে।

Show mo

 
Design by Wordpress Theme | Bloggerized by Free Blogger Templates | free samples without surveys